প্রতিশ্রুতির বাজারে আমরা—ক্রেতা না কি কেবল ভোট? – সুপ্রিয় রায়

রাস্তার ধারে কেউ যদি চিৎকার করে বলে—
“আমার জিনিস কিনলে এক মাসে জীবন বদলে যাবে!”
আমরা কী করি?
হাসি… বলি—“ধোঁকা!”

কিন্তু মাইক হাতে একজন নেতা যখন বলেন—
“আমাকে ভোট দিন, পাঁচ বছরে সব বদলে দেব!”
আমরা?
হাততালি দিই… আর বলি—“এইবার ঠিক হবে!”

বাহ!
একই কথা—একটায় ঠকবাজি, আরেকটায় আশার আলো!

কোম্পানি মিথ্যে বললে কোর্টে যাই,
নেতা মিথ্যে বললে বলি—“চলবে!”

আসলে সমস্যা কোথায় জানো?
ওদের কথায় নয়… আমাদের বিশ্বাসে।

আমরা প্রশ্ন করি না—
আগে কী করেছিলে বা কি করছো ?
কতটা কথা রেখেছিলে বা কতটা রাখছো ?

শুধু শুনি আর ভাবি—“এইবার বোধহয় সত্যি হবে !”

তাই প্রতিশ্রুতি দেওয়াটা এখন খুব সহজ—
কারণ যাচাই করার লোক কম।

তাই আসো —
হাততালি দেওয়ার আগে প্রশ্ন করি,
বিশ্বাস করার আগে খোঁজ নিই।

নইলে এই বাজারে
আমরা নাগরিক না…
স্থায়ী “কাস্টমার” হয়েই থেকে যাবো!

প্রশ্নটা রইল—
আমরা কি শুধুই ভোট,
না কি আমরা সত্যিই সচেতন নাগরিক?

21 thoughts on “প্রতিশ্রুতির বাজারে আমরা—ক্রেতা না কি কেবল ভোট? – সুপ্রিয় রায়

  1. Ratnabali Chatterjee

    আমরা অনেকেই কিন্তু শুকনো প্রতিশ্রুতিতে ভুলি না।গালভরা প্রতিশ্রুতির বন্যায় ভেসে হাততালি দিইনা। ধোঁকাবাজি বুঝেও নাগরিক অধিকার রক্ষায় অপেক্ষাকৃত কম ধোঁকাবাজ ভোটপ্রার্থীকে ভোট দিই।যদিও জানি নেতাদের প্রতিশ্রুতি শুধু কথার কথা।

    খুব সময়োপযোগী প্রতিবেদন।আর ছবিটাও।

    Like

  2. Ananda Ghosh

    সাধারণ সুন্দর লেখা দাদা। আমরা যদি সবাই সচেতন হতাম তাহলে বোধহয় নেতারা ভুয়ো প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিতে পারত না। স্যালুট দাদা স্যালুট। ওখানে কোন ঝামেলা হয়নি তো দাদা?

    Like

  3. Sukhendu Ray

    তুই কি শিলিগুড়ি আছিস?? ওখানে ভোটের নাম আছে?? কলকাতায় ভোটের নাম নেই মনে হয়।

    Like

Leave a comment