গত 23/05/2025 আনন্দবাজার পত্রিকাতে একটা লেখাতে হটাৎ চোখ আটকে গেল , দেখি – চাঁদে জ্বলবে আলো, চলবে ফ্যান-ফ্রিজ! রুশ-চিন যুগলবন্দিতে পৃথিবীর উপগ্রহে তৈরি হচ্ছে পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র।
চাঁদে পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির জন্য একটি সমঝোতাপত্রে সই করেছে রাশিয়া ও চিনের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এটি প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক চন্দ্র গবেষণাকেন্দ্রের অংশ হবে বলে জানা গিয়েছে।
আমরা জানি ১৯৬৯ সালে নীল আর্মস্ট্রং প্রথম চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিলেন। তখন থেকেই মানুষের স্বপ্ন আরও বড় হয়েছে—চাঁদের পর মঙ্গল গ্রহ!
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে আবার চাঁদে কেন? ওখানে তো কয়েকবার যাওয়া হয়ে গিয়েছে । এর আসল কারণগুলো নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করতেই আমি যতটুকু বুঝতে পারলাম সেটা চেষ্টা করছি নিজের ভাষায় প্রকাশ করতে ।
১. মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠাতে হলে আগে কাছের কোনো জায়গায় মহড়া দরকার। চাঁদ তার জন্য আদর্শ । চাঁদে কীভাবে বসবাস করা যায়, কীভাবে রিসোর্স ব্যবহার করা যায়—এসব শিখে তবেই মঙ্গল বা আরও দূরে যাওয়া সম্ভব।এক কথায় বলা যায় চাঁদ হচ্ছে মহাকাশ যাত্রার ট্রেনিং গ্রাউন্ড ।
২. চাঁদের মাটির নিচে ও বরফঢাকা এলাকায় জলের অস্তিত্বপাওয়া গেছে।এই জল একদিকে পানীয় জল, অন্যদিকে জ্বালানির উপাদান(হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন) হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।
৩. চাঁদে আছে হেলিয়াম-৩, যা পরমাণু শক্তির জন্য ভবিষ্যতে খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। চাঁদকে বলা হচ্ছে “ভবিষ্যতের খনিজের খনি”!
৪. NASA ও অন্য সংস্থাগুলো চায় চাঁদে “লুনার বেস” বানাতে — যেন বিজ্ঞানীরা সেখানে থাকতেও পারে, কাজও করতে পারে।
৫. সর্বোপরি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা – তার ফলে চীন, রাশিয়া, আমেরিকা , ভারত, ইউরোপ – সবাই চাঁদের দিকে এগোচ্ছে।এখনকার চাঁদের অভিযান কেবল বিজ্ঞান নয়, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার অংশও।
এক কথায়—
চাঁদে মানুষ আবার যাচ্ছে কারণ সেটা এখন শুধু “মহাকাশ ভ্রমণ” নয়, বরং ভবিষ্যতের বসবাস, শক্তি, ও নতুন দিগন্তে পৌঁছনোর প্রথম ধাপ।
Tanima Goswami
Darun sunder likhecho .Khub sunder
photography. Tomar lekha Porte khub valo lage tilokda.
LikeLike
অদূর ভবিষ্যতে হয়তো চড়া দামে চাঁদে জমি বিক্রি হবে,ধনকুবেররা হয়তো লাইন দিয়ে তা কিনবে। এক জায়গায় পড়ছিলাম পৃথিবীতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হয়ে হয়তো একদিন এমন দিন আসবে যেদিন মানুষের পাশাপাশি দাঁড়ানোরও জায়গা হবে না।কাজেই মানুষকে হয় চাঁদে নয় মাটির নিচে বসবাস করার উপায় খুঁজে বের করতে হবে।
সুপ্রিয়দা আবারও একটা নতুন বিষয় নিয়ে লিখলেন ,বেশ লাগল।
LikeLike
Aparajita Sengupta
খুব সুন্দর হয়েছে লেখা টা। অনেক কিছু জানতে পারলাম লালদা, তুমি আমাদের আপডেট করছ এই জন্য আমরা গর্বিত।
LikeLike
Bani Paul
Notun kichu janlam,Bah
LikeLike
Ashis Dutta
Wah bhalo laglo lekhata.
LikeLike
Kanika Dasgupta
Khub sundor likhechen dada
LikeLike
Dalia Deb
Tor lekhar tulona nei re lalda….khub valo laglo.
LikeLike
Tapashi Banerjee
Khub sunder likhecho
LikeLike
Partha Pratim Dasgupta
তোমার লেখা টা পড়তে পড়তে প্রথমেই যেটা মনে এলো, সেটাহলো এতদিন তুমি পৃথিবীর মধ্যে বিচরণ করেছো। এবার তুমি পৃথিবী ছাড়িয়ে চাঁদ-মঙ্গলে দৃষ্টিপাত করেছো। এটাকে ভাবনার পদোন্নতি বলা যায় !
তবে বিজ্ঞানের অগ্রগতির কথা ভেবে ভালোই লাগে কিন্তু চিন্তাটা হলো সবগুলোই তো উন্নত দেশ তাদের আবার সাম্রাজ্যবাদী প্রবণতা থাকে। সেই থেকে আবার চাঁদের দখল নিতে নিজেদের মধ্যে বিশ্ব যুদ্ধ না লেগে যায়।
LikeLike
Gautam Chaki
অপূর্ব লিখেছিস অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম ধন্যবাদ।
LikeLike
Naru Mahato
শুভ সকাল।
খুব সুন্দর লেখা।
অনেক কথা জানতে পারলাম।
চাঁদে উপনিবেশ স্থাপন করা হয়তো সব দেশেই চাইবে। অদূর ভবিষ্যতে।
LikeLike