র‍্যাগিং মুক্ত ভারত চাই

2009 সালে ভারতে তৈরি হয় র‍্যাগিং নিষিদ্ধকরণ আইন যা উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে “র‌্যাগিং এর হুমকি রোধে UGC রেগুলেশনস, 2009” নামেও পরিচিত।এই আইনে র‌্যাগিং একটি গুরুতর অপরাধ হিসাবে ধরা হয় । আইনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যে কোনও আকারে র‌্যাগিংকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করে। এটি সমস্ত স্তরে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কভার করে।আইনটিতে র‌্যাগিংয়ের জন্য দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান আছে , যার মধ্যে প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কার, বরখাস্ত, জরিমানা এবং এমনকি কারাবাসও পর্যন্ত হতে পারে। র‌্যাগিং ঘটনার প্রকৃতি এবং তীব্রতার উপর ভিত্তি করে শাস্তির কঠোরতা নির্ভর করবে । এই আইনে বলা আছে যে র‌্যাগিং প্রতিরোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সক্রিয় পদক্ষেপ নিতে হবে। তাদের অবশ্যই শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে পদক্ষেপ নিতে হবে, র‌্যাগিং-বিরোধী নির্দেশিকা প্রদান করতে হবে, অ্যান্টি-র‌্যাগিং কমিটি গঠন করতে হবে এবং যে কোনও র‌্যাগিং অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।আরও বলা আছে যে প্রতিষ্ঠানগুলিকে প্রাতিষ্ঠানিক স্তর এবং বিভাগীয় স্তর সহ বিভিন্ন স্তরে অ্যান্টি-র‌্যাগিং কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটি একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করার জন্য এবং র‌্যাগিং সংক্রান্ত অভিযোগের সমাধানের জন্য দায়ী থাকবে । অথচ গত সাত বছরে আমাদের দেশে এই র‍্যাগিংএর  শিকার হয়ে মারা গেছে প্রায় ৩০ জন । যখনই কোন বাবা -মার কোল খালি হয় তখনই শুধু এই র‌্যাগিংএর ব্যাপার নিয়ে সবাই নড়েচড়ে বসে । তারপর কিছুদিন গেলে আবার যে কে সেই । কেন সব ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা কত আশা নিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে একটা ভাল প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে সুস্থ,  নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ পাবে না ?  প্রতিষ্ঠানের সিনিয়াররা কি করে এত সাহস পায় ? তারা কি জানে না , এই আইনে কি কঠোর শাস্তি আছে তাদের জন্য । র‌্যাগিং চিরতরে বন্ধ হওয়া দরকার তার জন্য যা যা করা দরকার করা উচিৎ । বিশ্বব্যাপী র‌্যাগিং নির্মূল করার প্রচেষ্টা ভাল গতি পেয়েছে কিন্তু আমরা কেন পিছিয়ে থাকবো ?

Please visit my You tube channel : https://www.youtube.com/cha…/UCwI8JNW7FmslSEXnG6_GAgw/videos

Leave a comment